বিজেপি ফেরোসাস, ডেঞ্জারাস! ২১ এর মঞ্চে ঝাঁঝালো কটাক্ষ মমতার

টিডিএন বাংলা ডেস্ক : বিধানসভা ভোটে বিপুল জয়ের পর ২১ জুলাই শহীদ দিবসের ভার্চুয়াল সভা। ২১ এর মঞ্চে কার্যত ২৪ এর প্রস্তুতি। কী বললেন এদিন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? দেখে নিন এক ঝলকে-

মমতার বার্তা
১) যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে ধ্বংস করা হচ্ছে। গোটা দেশে চলছে গোয়েন্দাগিরি। কাউকে ফোন করতে পারিনা। ফোন ট্যাপ, রেকর্ড করা হচ্ছে। আমার ফোনের ক্যামেরা ঢেকে দিতে হয়েছে। গণতান্ত্রিক অধিকার শেষ করছে বিজেপি। বিচার ব্যবস্থাকে শেষ করে দেওয়া হচ্ছে। মিনিস্টারের ফোনেও পেগাসাস। গণতন্ত্রের বদলে চলছে গোয়েন্দাগিরি। ফোন ট্যাপ করা নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করুন। বিজেপি এজেন্সিগুলোর কন্ট্রাক্টর।

২) কোভিডে বেনজির ব্যর্থতা কেন্দ্রের। উত্তরপ্রদেশে মৃতদেহ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। অথচ প্রধানমন্ত্রী যোগীর প্রশংসা করছেন। কোভিডে অক্সিজেন নেই, ভ্যাকসিন নেই। প্রয়োজন মতো টিকা দিচ্ছে না। করোনার তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলায় কোন পরিকল্পনা করছে না কেন্দ্র। কোভিড মোকাবেলায় চূড়ান্ত ব্যর্থ কেন্দ্র। করোনায় মৃতদের সম্মান দেয়নি বিজেপি। যে ভাবে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে, কত বছরে শেষ হবে জানি না।

৩) দেশের খাতিরে বিরোধীদের একজোট হতে হবে। স্বার্থ ভুলে বিরোধীদের একজোট হতে হবে। বিজেপিকে বিতাড়িত করতে হবে। ততদিন সব রাজ্যে খেলা হবে। একটা খেলা হয়েছে, আবার খেলা হবে। ১৬ আগস্ট খেলা হবে দিবস। আমি দু-তিন দিনের মধ্যে দিল্লি যাচ্ছি। শরদজি, চিদাম্বরমজিকে বলব, মিটিং ডাকলে যাব। যত দেরি করবেন, ততই সময় নস্ট হবে।

৪) বিজেপি একটা ভাইরাস পার্টি। দেশে গুলি আর গালির রাজনীতি চলছে। ভারতে জনদরদী সরকারের প্রয়োজন। শুধুই বিরোধীদের দমন করতে উদ্যোগী বিজেপি। মানবাধিকার কাকে বলে ওরা জানেনা। ফ্রন্ট ক্ষমতায় গেলে গোটা দেশে ফ্রিতে রেশন। বিজেপি কালা কানুন বানায়, উন্নয়ন করে না। ই-গভর্নেন্স থেকে ১০০ দিনের কাজ সবেতেই এগিয়ে বাংলা। সরকারের পরিচয় কাজে, মান কী বাতে নয়।