বিজেপি ধর্ষকদের সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে, দেশ জুড়ে মহিলা নির্যাতন ও ধর্ষণ রুখতে পদক্ষেপ নেয় না, নারী সংরক্ষণ বিল একটি কৌশল অভিযোগ বিআর আম্বেদকরের নাতির

টিডিএন বাংলা ডেস্ক: বর্তমান শাসক দল বিজেপি বিলকিস বানুর ধর্ষকদের সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে, দেশ জুড়ে প্রতি নিয়ত চলতে থাকা মহিলা নির্যাতন ও ধর্ষণ রুখতে কোনো কার্যকরী পদক্ষেপ নেয় না। আসলে এই নারী সংরক্ষণ বিল ২০২৪ সালের নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য বিজেপির একটি রাজনৈতিক কৌশল বলে অভিযোগ করলেন বিআর আম্বেদকরের নাতি বঞ্চিত বহুজন আঘাদি (ভিবিএ)-এর প্রধান প্রকাশ আম্বেদকর।

মহিলা সংরক্ষণ বিলের সমালোচনা করে এই প্রবীণ দলিত নেতা বিলটিকে “বৈষম্যমূলক এবং বর্জনীয়” হিসাবে চিহ্নিত করে অভিযোগ করেছেন। বিজেপি সহ আরএসএস, মনুবাদী মতাদর্শ মেনে চলে এবং গোঁড়া সনাতন ধর্ম পালন করে। নারীর ক্ষমতায়নের জন্য তাদের সত্যিকারের প্রতিশ্রুতির অভাব রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ তিনি মহিলাদের কল্যাণের প্রতি বিজেপির প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

ভিবিএ প্রধান দাবি করেছেন, বিজেপি যদি সত্যিকারের মহিলাদের ইস্যুগুলি নিয়ে চিন্তা করত, তবে তার আইন প্রণেতারা বিলকিস বানো ধর্ষণ মামলায় জড়িত দোষীদের সাথে একই মঞ্চ ভাগ করে নিতেন না। প্রকাশ আম্বেদকরের যুক্তি, যদি তারা আন্তরিক হত তাহলে যখন মণিপুরে খ্রিস্টান কুকি জনসাধারণের উপর অত্যাচার করা হচ্ছিল, মণিপুরে মহিলাদের ধর্ষণ এবং গণহত্যার মতো ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘট ষছিল তখন বিজেপির নেতৃত্ব, মোদি এবং আরএসএস নিষ্ক্রিয় পর্যবেক্ষক রয়ে যেত না।

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, তফসিলি জাতি (এসসি) এবং তফসিলি উপজাতি (এসটি) মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ ২০১৪ সাল থেকে বেড়েছে, যা বোঝায় যে বিজেপি ও আরএসএস সরকার এর দায় বহন করে। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন, বিজেপি-আরএসএস এবং তাদের সহযোগীরা দলিত এবং মুসলিম পুরুষদের সাথে সম্মতিমূলক সম্পর্কে জড়িত হিন্দু মহিলাদের টার্গেট করেছে।

একইসঙ্গে, মব লিঞ্চিংয়ের নিন্দা করে, প্রকাশ আম্বেদকর বলেন, মা, বোন এবং স্ত্রীরা দুঃখজনকভাবে তাদের প্রিয়জনকে এই ধরনের ঘটনার জন্য হারিয়েছে, এই ঘটনাগুলির জন্য বিজেপি-আরএসএস সমর্থকরা দায়ী। মোদী প্রশাসনের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন এবং মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ অব্যাহত রাখার অনুমতি দেওয়ার অভিযোগও করেছেন দলিত নেতা। তাঁর দাবি, মোদি সরকার বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের বিচারে বাধা দিয়েছে। প্রাক্তন সাংসদ এবং ডক্টর বি আর আম্বেদকরের নাতির দাবি, হাতরাস এবং কাঠুয়ার মতো ঘটনায় গুরুতর পদক্ষেপের অভাব ছিল, যেখানে বর্ণ-ভিত্তিক সহিংসতা এবং ধর্ষণের অভিযোগকারীরা বিজেপির সাথে যুক্ত ছিল। সূত্র: মকতুব মিডিয়া