ইংল্যান্ডের স্বপ্ন ভঙ্গ , ৫৩ বছর পর ইউরো কাপ চ্যাম্পিয়ন ইতালি

টিডিএন বাংলা স্পোর্টস ডেস্ক :  ইংল্যান্ডকে পেনাল্টি শুট-আউটে ৩-২ গোলে হারিয়ে ইউরো ২০২০ চ্যাম্পিয়ন হয় ইতালি। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার ইউরোর খেতাব ঘরে তোলে তারা।১৯৬৮ সালের পর ফের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে নিলে ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দল। ৫৩ বছর পর ইউরোপের সর্বশ্রেষ্ঠ দল হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করল ইতালি।

চতুর্থ দল হিসেবে একাধিকবার ইউরো চ্যাম্পিয়ন হয় ইতালি। জার্মানি ৩ বার, স্পেন ৩ বার ও ফ্রান্স ২ বার ইউরো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এবার ইতালি দ্বিতীয় বারের জন্য ট্রফি ঘরে তোলে। ইতালিই প্রথম ও একমাত্র দল, যারা একই ইউরো কাপের মূলপর্বে দু’টি ম্যাচ পেনাল্টি শুট-আউটে জেতে। ফাইনালের আগে সেমিফাইনালেও স্পেনকে পেনাল্টি শুট-আউটে হারায় ইতালি।

কাপ যুদ্ধে গ্যারেথ সাউথগেটের দুর্দান্ত ইংল্যান্ডকে হারত হলো টাইব্রেকারে। ১৯৬৬ সালের পর ইংল্যান্ড প্রথম কোনও বড়ো টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছিল। হ্যারি কেনরা স্বপ্ন দেখেছিলেন ইতিহাস লেখার। কিন্তু জর্জিও কিয়েলিনির ইতালির কাছে তাঁদের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।

ফাইনালের নির্ধারিত নব্বই মিনিট পর্যন্ত ম্যাচ অমীমাংসিত (১-১) থাকে। লুক শ ম্যাচের ২ মিনিটের মধ্যেই ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন। ম্যাচের ৬৭ মিনিটে লিওনার্দো বোনুচি ইটালিকে সমতায় ফিরিয়ে দেন। এরপর খেলা গড়ায় অতিরিক্ত সময়। সেখানেও কোনও ফলাফল না হওয়ায়, কাপ যুদ্ধের ফয়সলা হয় পেনাল্টি শুটআউটে।

ব্যর্থতার দায় সম্পূর্ণ নিজের ঘাড়ে নিয়েছেন ইংল্যান্ডের কোচ গ্যারেথ সাউথগেট। মাত্র ১৯ বছর বয়সি বুকায়ো সাকাকে পঞ্চম পেনাল্টি মারতে দেওয়া খুবই ভুল সিদ্ধান্ত। সারা ম্যাচে এক মিনিটও খেলিয়ে শুধু পেনাল্টি মারার জন্য স্যাঞ্চো এবং র‍্যাশফোর্ডকে নামানোও উদ্ভট। টাইব্রেকারে কেন স্টার্লিং, গ্রিলিশ কিংবা লুক শ-এর মতো সিনিয়রদের এগিয়ে এলেন না তা বোধের অতীত।

ইতালি এই নিয়ে টানা ৩৪টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে অপরাজিত থাকে। শেষবার তারা কোনও আন্তর্জাতিক ম্যাচ হারে ২০১৮ সালে।