“দেশজুড়ে লকডাউন হচ্ছে না”; আশ্বাসবার্তা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়ালের

টিডিএন বাংলা ডেস্ক: করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জেরে একের পর এক রাজ্যগুলিতে বেয়ে চলেছে করোনা সংক্রমনের পরিসংখ্যান। ইতিমধ্যেই দৈনিক সংক্রমনের রেকর্ড গড়েছে করোনা। এক লক্ষের গণ্ডি ছাড়িয়ে দৈনিক সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে চলেছে। সব থেকে খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে মহারাষ্ট্রে। এরপরই রয়েছে ছত্রিশগড়। বিভিন্ন রাজ্যগুলিতে করোনার এই ভয়াবহ সংক্রমনের হার রুখতে ইতিমধ্যেই স্বাভাবিক গতিবিধির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অনেক রাজ্যে জারি করা হয়েছে নাইট কার্ফু। স্বভাবতই মানুষের মনে গতবছরের করোনার স্মৃতি এবং তার সংগে দেশজুড়ে লকডাউনের স্মৃতিও ফিরে আসছে। মানুষের মনের সেই আতঙ্ক কাটাতে এদিন আশ্বাস বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গয়াল।

গতবছর দেশজুড়ে লকডাউন এরপর ভারতের অর্থনীতির যে বিপুল পরিমাণ ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছিল সেই পরিস্থিতির সম্মুখীন দ্বিতীয় বার আর হতে চায় না কেন্দ্র সরকার। তাই এবার আর গোটা দেশজুড়ে লকডাউন এর পথে হাটতে চায় না সরকার। এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর দেশজুড়ে জেফের লকডাউন জারি হচ্ছে না তা স্পষ্ট করে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযুষ গয়াল। তিনি বলেন, “দেশ জুড়ে লকডাউন হচ্ছে না। স্থানীয় স্তরে যে সব লকডাউন হচ্ছে, তা সাময়িক।”

প্রসঙ্গত, গতবছর লকডাউনের সময় অর্থবছরের প্রথম তিন মাসেই এক ধাক্কায় ২৪ শতাংশ সংকোচন হয়েছিল জিডিপির। সেই ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে বিভিন্নভাবে লাগাতার প্রচেষ্টা করে চলেছে কেন্দ্র সরকার। এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বাতানুকূল যন্ত্র, এলইডি এবং সোলার পিভি মডিউলস উৎপাদনে উৎসাহ ভাতা দেওয়া হবে। এই দু’টি ক্ষেত্রে আগামী পাঁচ বছরে ৬,২৩৮ কোটি টাকার উৎসাহ ভাতা দেবে কেন্দ্র। যে সব সংস্থা এই ক্ষেত্রে পণ্য বা যন্ত্রাংশ উৎপাদন করবে তারা উৎপাদনের পরিমাণের ৪ থেকে ৬ শতাংশ হারে সরকারের থেকে সরাসরি উৎসাহ ভাতা পাবে। এর পাশাপাশি, গত নভেম্বর মাসেবিশ্বে কারখানায় উৎপাদন বাড়াতে এবং আরো কর্মসংস্থান তৈরি করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজি তেরোটি ক্ষেত্রে উৎপাদনে উৎসাহ ভাতা ঘোষণা করেছিলেন তার মধ্যে ন’টিতে সীলমোহর দিল মন্ত্রিসভা। কেন্দ্রীয় শিল্প বাণিজ্য মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এদিন এ প্রসঙ্গে বলেন, উৎপাদন নির্ভর উৎসাহ ভাতা প্রকল্পের ফলে ১.৬৮ লক্ষ কোটি টাকা মূল্যের উৎপাদন বাড়বে। প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকার নতুন লগ্নি আসবে। প্রায় ৪ লক্ষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হবে।