রেস্তোরাঁয় খেতে গেলে দিতেই হবে সার্ভিস চার্জ! কেন্দ্রের নিষেধ সত্ত্বেও অনড় মালিক সংগঠন

টিডিএন বাংলা ডেস্ক: হোটেল বা রেস্তোরাঁয় খেতে গেলে খাবারের দামের সঙ্গে জিএসটি এবং সার্ভিস চার্জ মিলে বেড়ে যায় বিলের বহর। এই অবস্থায় কেন্দ্রের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল সার্ভিস চার্জ নেওয়ার কোনো আইনি বৈধতা নেই তাই হোটেল এবং রেস্তোরাঁর মালিকদের সার্ভিস চার্জ নিতে নিষেধ করেছিল কেন্দ্র। যদিও জাতীয় রেস্তোরাঁ অ্যাসোসিয়েশনের দাবি সার্ভিস চার্জ নেওয়ার বিষয়টি আইন সম্মত এবং এই বিষয়ে কেন্দ্র এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে কেন্দ্রের ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের সঙ্গে বৈঠকে বসে রেস্তোরাঁ অ্যাসোসিয়েশনগুলি। ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের সচিব রোহিত কুমার সিং-এর নেতৃত্বে হওয়া এই বৈঠকে জানিয়ে দেওয়া হয়, পরিষেবার জন্য আলাদা শুল্কের কথা কোথাও বলা নেই। এর সঙ্গে কোনো আইনি যোগসূত্র নেই। এরপরই কেন্দ্রের তরফ থেকে জানানো হয়, এই সমস্যার সমাধানে শীঘ্রই একটি আইন আনা হতে পারে। ওই বৈঠকেও রেস্তোরাঁ অ্যাসোসিয়েশন গুলির তরফ থেকে জানানো হয় রেস্তোরাঁতে সার্ভিস চার্জ নেওয়া বৈধ।
বৃহস্পতিবারের বৈঠকে একাধিক হোটেল ও রেস্তোরাঁ সংগঠনের উপস্থিতিতে কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছিল কোন রেস্তোরাঁয় খাবারের দামের সঙ্গে সার্ভিস চার্জের বিষয়টি উল্লেখ করা থাকে না। এর ফলে গ্রাহকরা বিল হওয়ার পর সেটি জানতে পারেন। এটি গ্রাহকের সঙ্গে অন্যায়। অন্যদিকে, রেস্তোরাঁ অ্যাসোসিয়েশনের তরফ থেকে জানানো হয় খাবারের গুণমানের সঙ্গে এই সার্ভিস চার্জের কোনো সম্পর্ক নেই বরং রেস্তোরাঁ কর্মীদের পারিশ্রমিকের সঙ্গে যোগ রয়েছে।
কেন্দ্রীয় ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তর এবং রেস্তোরাঁ অ্যাসোসিয়েশনের মধ্যে চলতে থাকা এহেন বিতর্কের বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় ক্রেতা সুরক্ষা মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল শনিবার জানিয়েছেন, “রেস্তোরাঁগুলি তাদের কর্মীদের মজুরি বাড়াতে পারে। তার ফলে খাবারের দাম বাড়তেও পারে। কর্মীদের বেতন বাড়ানো রেস্তোরাঁগুলি অধিকারের মধ্যে পড়ে কিন্তু, অনেকেই চালাকি করে অতিরিক্ত মূল্য ধার্য করে থাকে। আবার কেউ কেউ তা করে না। তাহলে মানুষ বুঝবে কি করে খাবারের আসল দামটা কি!”