ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপনির্বাচনের প্রচারে এলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র

নিজস্ব সংবাদদাতা,টিডিএন বাংলাঃ সামনেই পশ্চিমবঙ্গের কয়েকটি জায়গায় উপনির্বাচন আর সেই কারণেই শুরু হয়ে গিয়েছে নির্বাচনের প্রচার। উপনির্বাচনের প্রচারের উদ্দেশ্যে ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপনির্বাচনী এলাকায় প্রচারে এলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। এদিন মদন মিত্র মহাশয় ভবানীপুরে এসে প্রথমেই গোল মন্দিরে পুজো দেন। তারপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামের জবাব দেবেন ভবানীপুরে। বিপুল সংখ্যক মার্জিনে তিনি জয় যুক্ত হবেন।” পাশাপাশি বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ কেও একহাত নেন তিনি। তিনি বলেন, “দিলীপ ঘোষ লোকটি ভালো কিন্তু মাঝে মাঝে ভুলভাল বকে ফেলেন।” উল্লেখ্য যে, “এদিন সকাল বেলা দিলীপ ঘোষ জানিয়েছিলেন নন্দীগ্রাম বা লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের পক্ষ থেকে নাম ঘোষণা করা হয়েছিল তার পরেও তারা হেরে গিয়েছিলেন। এবারও উপনির্বাচনে আগের থেকেই নাম ঘোষণা করা হয়েছে তাই ফলাফল কি হবে তা বোঝাই যাচ্ছে।” এই মন্তব্যের উত্তরে এদিন মদন মিত্র বিদ্রুপ করে বলেন, “দীলিপবাবু কেমন ধরনের কথা বলেন তার প্রমাণ আগেই পাওয়া গিয়েছে। তিনি বলেছিলেন বিজেপি বিপুল সংখ্যক ভোটে জিতবে কিন্তু তা রামরাম সত্য হয়ে গেছে।” পাশাপাশি মদন মিত্রকে এদিন প্রশ্ন করা হয় তিনি কি আজকে একটু কম ঔজ্জ্বল্যবিহীন পোশাক পড়ে এসেছেন? এর কারণ কি এটাই যে দুদিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে বেশি সাজগোজ করতে বারণ করেছিলেন। এমন প্রশ্নের উত্তরে মদন মিত্র জানিয়েছেন, তিনি আজ যে পাঞ্জাবী পড়ে এসেছেন সেটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে পুজোয় উপহার দিয়েছেন এবং গায়ে যে উত্তরিয়টা দিয়েছেন তা গতকাল শান্তিনিকেতন সোনাঝুরি হাট থেকে তাকে উপহার সরুপ দেওয়া হয়েছে এবং তিনি মোটেও সাজগোজ করেননি। তার মতে, “মানুষ মন থেকে রঙিন হলে তার সাজগোজের প্রয়োজন হয় না এবং তিনি প্রত্যেক দিনই ভবানীপুরে এসে পুজো দেন।আজও তিনি পুজো দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে প্রচার শুরু করলেন।” এদিন তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয় উপনির্বাচন নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করা হয়েছে তা নিয়ে তিনি কি বলতে চান? তবে সেই প্রশ্নের উত্তর তিনি সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে যান। অন্যদিকে তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয় বিশ্বজিৎ সরকার নামে এক বিজেপি কর্মী জানিয়েছেন তিনি যদি ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপরীতে দাঁড়ান তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আত্মহত্যা করবেন। এ প্রশ্নের উত্তরে সম্পূর্ণ হেসে উড়িয়ে দেন মদন মিত্র এবং তিনি বলেন কে এই ব্যক্তি। ১০ কোটি মানুষের মধ্যে এত মানুষকে চেনা সম্ভব নয়। এরপরই এদিন তিনি ভোট প্রচারে বের হয়ে জান।