বিহার সরকার অহংকারগ্রস্ত, বদল করার সময় এসে গেছে; নীতীশ সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক মন্তব্য কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর

টিডিএন বাংলা ডেস্ক: আগামীকাল বিহারে প্রথম পর্যায়ের ভোটগ্রহণ পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। ভোট দেওয়ার আগে কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন রাষ্ট্রপতি সোনিয়া গান্ধী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের বিরুদ্ধে আক্রমনাত্মক মন্তব্য করে বলেছেন, বিহারের নীতীশ সরকার ক্ষমতার আতিশয্য ও অহংকারে ডুবে আছে।এখন সময় এসেছে এই অহঙ্কারী সরকারকে পাল্টানোর।

সোনিয়া গান্ধী বলেন, “আমার বিহারের প্রিয় ভাই ও বোনেরা, আমি বিহারের পবিত্র ও ঐতিহাসিক ভূমিকে প্রণাম জানাই। আজ, বিহারের সরকার ক্ষমতার আতিশয্যের অহমিকায় গ্রস্ত সরকার পথভ্রষ্ট হয়েছে। না তারা ঠিক ভাবে কথা বলেন না তারা ঠিকভাবে কাজ করেন। তিনি আরো বলেন, শ্রমিকরা আজ অসহায়। কৃষকরা আজ বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছেন। যুবকরা আজ হতাশ।

সোনিয়া গান্ধী আরও বলেন, অর্থনীতির ভঙ্গুর অবস্থা মানুষের জীবনের ওপর প্রভাব বিস্তার করেছে। ধরিত্রীর পুত্রদের উপর আজ গুরুতর সংকট জনক পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। দলিত ও মহাদালিতদের বিপর্যস্ত অবস্থায় ফেলে দেওয়া হয়েছে। সমাজের পিছিয়ে পড়া বর্গগুলিও এই দুর্দশার শিকার হয়েছে। বিহারের জনগণের কণ্ঠস্বর আজ কংগ্রেস মহাজোটের সাথে। এটাই আজ বিহারের আহ্বান।

সোনিয়া গান্ধী আরও বলেন, দিল্লি ও বিহারের সরকার “বন্দী সরকার”।নোটবন্দী, তালাবন্দি, বাণিজ্য বন্দি, অর্থনৈতিক বন্দিদশা, খামারগোলা বন্দী এবং কর্মসংস্থান বন্দী। এজন্য বন্দী সরকারের বিরুদ্ধে একটি নতুন বিহার তৈরি করতে বিহারের জনগণ পরবর্তী জাতের এবং পরবর্তী শস্যের জন্য প্রস্তুত। তিনি আরো বলেন, এবার পরিবর্তনের সময় এসেছে, তার কারণ পরিবর্তনেই শক্তি আছে, নতুন চিন্তা ধারা রয়েছে। এবার নতুন ভারত লেখার সময় এসে গেছে।

সোনিয়া গান্ধী আরো বলেন, বিহারের মানুষের হাতে গুণ আছে, দক্ষতা আছে, শক্তি আছে, নতুন কিছু গড়ার ক্ষমতা রয়েছে, কিন্তু বেকারত্ব, অভিবাসন, মুদ্রাস্ফীতি, অনাহার তাদের চোখে অশ্রু ও পায়ে ফোস্কা ফেলে দিয়েছে। যে শব্দগুলি কথায় বলা যায় না সেগুলি চোখের জলের মধ্যে দিয়ে বলতে হয়। নির্ভীক অপরাধের ভিত্তিতে নীতি ও সরকার তৈরি করা যায় না। বিহার ভারতের আয়না। একটি আশা।ভারতের বিশ্বাস। আবেগ। বিহার ভারতের গর্ব।