টিডিএন বাংলা ডেস্ক: প্রায় আড়াই মাস পর ৫ জুন পবিত্র জুমার নামায অনুষ্ঠিত হয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ এবং পবিত্র মক্কা ও মদিনা মুনাওয়ারার দেশ সৌদি আরবে। বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে গত ১৫ মার্চের পর দেশটিতে শপিংমলসহ সব অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার।
সেই সঙ্গে দেশটির সব মসজিদে নামায আদায় করার ওপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। শুধু দুই পবিত্র মসজিদ; মসজিদে হারাম ও মসজিদের নববিতে সীমিত পরিসরে জুমার নামাজসহ পাঁচ ওয়াক্ত নামায চালু ছিল। তবে সর্বসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল।
গত ৩১ মে থেকে ধাপে ধাপে লকডাউন এবং কারফিউ শিথিলের পাশাপাশি মসজিদসমূহ খুলে দেওয়ার অনুমতি দেয় দেশটির সরকার। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ কয়েকটি নীতিমালা অনুসরণ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
এদিকে পবিত্র এ নামায আদায় করতে মুসল্লিদের স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগদান করার এক অভূতপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হতে দেখা যায় দেশটিতে অবস্থিত মসজিদসমূহে। মুসল্লিদের মনে এক আনন্দের শিহরণ লক্ষ্য করা হয় যেন কোনো কিছু হারিয়ে আবার ফিরে পাওয়ার আনন্দ।
মুসল্লিরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে নিজ নিজ জায়নামায সাথে জুমার নামায আদায় করেন। কেননা আল্লাহ্ তাআলা বলেন, ‘হে মুমিনগণ! জুমার দিনে যখন (জুমার) নামাজের আজান দেওয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের দিকে ছুটে যাও এবং বেচাকেনা বন্ধ কর। এটা তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা বোঝ।’ (সুরা জুমুআ,)
পবিত্র হাদিস শরিফেও জুমার নামাযের ওপর গুরুত্বারোপ করে হজরত নবি কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বীনা কারণে পরপর তিন জুমার নামাজ আদায় করা থেকে বিরত থাকবে, আল্লাহ তায়ালা তার ক্বলব (অন্তর) মোহরাংকিত করে দেবেন। দৈনিক সংগ্রাম