টিডিএন বাংলা ডেস্ক: লাগাতার কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে আলোচনা করতে চেয়ে শেষপর্যন্ত সৌদি আরবের কোপের শিকার হল পাকিস্তান। বড়সড় ধাক্কা খেলো ইমরান সরকার। সৌদি আরবের থেকে পাকিস্তানকে আর দেওয়া হবে না কোনো ঋণ এবং পেট্রোল ডিজেল। আসলে বেশ কিছুদিন ধরে কাশ্মীর ইস্যুতে আলোচনা করার জন্য চীনের সমর্থন পেয়ে সৌদি আরব এবং ইউএইর কাছে লাগাতার ওআইসি অর্থাৎ অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন এর মিটিং ডাকার আবেদন জানাচ্ছিল পাকিস্তান। এদিকে সৌদি আরব ওআইসির অধ্যক্ষ হওয়ার সাথে সাথেই ভারতের সঙ্গে সৌদি আরবের গভীর কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক থাকার জন্য ওই আবেদনকে অস্বীকার করছিল।

সম্প্রতি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ও বিদেশ মন্ত্রী এমন মন্তব্য করেন যাতে মনে হয় যে সৌদি আরবকে হুমকি দিচ্ছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি সম্প্রতি একটি বিবৃতি দেন যে,”যদি সৌদি বৈঠক না ডাকতে পারে তাহলে আমি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ওই সমস্ত ইসলামিক দেশের সঙ্গে বৈঠক আয়োজন করতে বলবো যারা কাশ্মীর ইস্যুতে আমাদের সঙ্গে আছে।পাকিস্তানের কাছে বিকল্প রয়েছে।”

এদিকে, পাকিস্তান ২০১৮ সালে সৌদি আরবের কাছ থেকে ৬.৮ আরব ডলার ঋণ নিয়েছিল। যার মধ্যে ৩ আরব ডলার ছিল ঋণ এবং বাকি ৩.২ আরব ডলার ছিল অয়েল ক্রেডিট ফ্যাসিলিটি। সম্প্রতি সৌদি আরব পাকিস্তানকে সেই ঋণের প্রথম জমা করতে বললে পাকিস্তান চীনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে পরিশোধ করে এক আরব ডলার।

এই অবস্থায় পাকিস্তানের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক ঠিক করতে সোমবার সৌদি আরবের রাজদূত নবফ সইদ অল-মলকির সঙ্গে দেখা করেন পাকিস্তানের আর্মি চীফ জেনারেল কমর জাভেদ বাজওয়া। কিন্তু বুধবার সৌদি আরবের এই পদক্ষেপের পর একথা স্পষ্ট যে ওই বৈঠকে কোন সুরাহা পায়নি পাকিস্তান।