টিডিএন বাংলা ডেস্ক: আন্দোলন যেন থামছেই না। জর্জ ফ্লয়েডের হত্যার প্রতিবাদে এই মুহূর্তে উত্তাল আমেরিকা। আটদিন ধরে চলছে আন্দোলন। কারফিউ সত্ত্বেও করোনার মধ্যে পথে মানুষ। আর তাই এবার ওয়াশিংটন, ডিসি এলাকায় সেনা পাঠাল পেন্টাগন। শহরে গত কয়েকদিনের হিংসাত্মক বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে সেনা পাঠানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করতে ১,৬০০ সেনা পাঠানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র জোনাথন হফম্যান জানিয়েছেন, ফোর্ট ব্র্যাগ ও ফোর্ট ড্রাম থেকে সেনা ওয়াশিংটন ও ডিসি এলাকায় পাঠানো হয়েছে। তবে সক্রিয় কর্তব্যরত বাহিনী এখনও মোতায়েন করা হয়নি। তিনি জানিয়েছেন, বাহিনীকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। কিন্তু অসামরিক কর্তৃপক্ষের কাজের ক্ষেত্রে তারা এখনই অংশ নিচ্ছে না। পদস্থ প্রতিরক্ষা আধিকারিক মঙ্গলবার বলেছিলেন যে, ওয়াশিংটন অঞ্চলে বাহিনী পাঠানো হবে। এই বাহিনীর মধ্যে থাকছে মিলিটারি পুলিশ ও ইঞ্জিনিয়ারিং দক্ষতা সম্পন্নরা। উল্লেখ্য, ওয়াশিংটনে সন্ধে সাতটার পর কার্ফু সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা তাঁদের অবস্থানে অনড়। যদিও সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কার্ফু কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছেন। যে শহরগুলিতে বিক্ষোভ দমন করা যাচ্ছে না, সেগুলিতে সেনা পাঠানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছিলেন তিনি। অবশেষে নামলো সেনা। কিন্তু সেনা নামিয়ে কি বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন দমন করা যাবে? ভবিষ্যতই জবাব দেবে।