টিডিএন বাংলা ডেস্ক: করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে  ২০ লক্ষ কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজের ঘোষণা করছিলেন। তারপর প্যাকেজের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। কিন্তু সেই প্যাকেজের এক টাকাও কেউ এখনও পায়নি বলে অভিযোগ। পাশাপাশি সেই প্যাকেজের বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন তুলে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে ক্ষুব্ধ সংস্থাগুলো।

দীর্ঘদিন ধরেই একাধিক সমস্যায় ভুগছে দেশের ক্ষুদ্র, ছোটো, মাঝারি শিল্পগুলি। বিনিয়োগ থেকে শুরু করে লভ্য়াংশ- সব ক্ষেত্রেই একাধিক প্রতিবন্ধকতা ছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই ছোটো শিল্পগুলির অবস্থা আরও খারাপ। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজ়ার তৈরিতে দৃষ্টান্তমূলক কাজ করেছে এই ক্ষুদ্র, ছোটো, মাঝারি উদ্যোগপতিরা। এই আর্থিক প্যাকেজে দেশের ক্ষুদ্র ও ছোটো শিল্পের জন্য ৩ লাখ কোটির ঋণ সহ একাধিক প্রকল্পের ঘোষণা করেন তিনি। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্ত প্রকৃত অর্থে এমএসএমই ক্ষেত্রের সংজ্ঞা বদলে দিতে পারে। তবে এই ঘোষণাগুলির যথাযথ বাস্তবায়ন নিয়ে সরকার চুপ।

অর্থমন্ত্রী জানান, এমএমএসই-র ক্ষেত্রে ৩ লাখ কোটির ঋণ নেওয়ার সুবিধা পাওয়া যাবে। এই প্য়াকেজ থেকে ৪৫ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এই প্রকল্পে উপকৃত হবে। এছাড়াও অনাদায়ী ঋণগ্রস্ত এমএসএমই-কে ২০ হাজার কোটি টাকার অনুদান দেওয়া হবে। এর জেরে উপকৃত হবে প্রায় ২ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প। তবে এসবেও এমএসএমই-দের অবস্থার পরিবর্তন হচ্ছে না বলেই দাবি সংস্থাগুলির।

তবে এত কিছুর পরও সমীক্ষায় জানা যাচ্ছে ৪৪ শতাংশ এমএসএমই কেন্দ্রের পদক্ষেপে সন্তুষ্ট নয়। জানা গিয়েছে সমীক্ষায় অংশ নেওয়া সংস্থাগুলির ৮৬ শতাংশ আশা করেছিল যে তাদের হাতে সরাসরি টাকা তুলে দেওয়া হবে। অর্থযোগান না থাকায় এই সংস্থাগুলি কর্মী ছাটাই করতে বাধ্য হচ্ছে। শুধু মাত্র দিল্লিতেই ২৫ শতাংশ এমএসএমই সংস্থা তাদের কর্মী ছাটাই করেছে।