টিডিএন বাংলা ডেস্ক: বেশ কিছুদিন থেকেই ভারত-চিনে সীমান্ত সংঘাত চলছে। তবে এবার লাদাখ সীমান্তে দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে চরম সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হয়েছে৷ এমনকি দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে হাতাহাতি, পাথরবৃষ্টিও হয়েছে৷ ধীরে ধীরে আরও খাবার পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক ভাবে সমস্যার সমাধানের জন্য প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের দেখানো পথই নরেন্দ্র মোদি সরকারের কাছে অন্যতম বিকল্প হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷

২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর আমলে চিনের সঙ্গে একটি ওয়ার্কিং মেকানিজম বা সীমান্তে কার্যপদ্ধতি মেনে চলার নথিতে সই করেছিল ভারত৷ সেই সময় বেজিংয়ে ভারতের রাষ্ট্রদূত এবং বর্তমান বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ভারতের হয়ে এই কার্যপদ্ধতি মেনে চলার নথিতে সই করেছিলেন৷ দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত সংক্রান্ত বিবাদের মীমাংসা করতেই এই ওয়ার্কিং মেকানিজম তৈরি হয়েছিল৷ ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসে যার সূত্রপাত হয়৷ তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শিবশঙ্কর মেনন এবং চিনের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার মধ্যে আলোচনার পর দুই দেশ সহমতের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিল৷ সীমান্তে বিবাদ এড়াতে দুই দেশের যুগ্ম সচিব স্তরের আধিকারিকদের এই কার্যপদ্ধতি মেনে চলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল৷ বর্তমানে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের হাতে এই ক্ষমতা রয়েছে৷

উল্লেখ্য, মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পড়শি দেশগুলোর সঙ্গে সীমান্ত সংঘাত বেশি মাথা চাড়া দিয়েছে। এমনকি পুঁচকে নেপালও সীমান্ত নিয়ে ভারতকে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে।