টিডিএন বাংলা ডেস্ক: উজ্জয়নী থেকে ১২ কিলোমিটার পথ পার করে কানপুরে পৌঁছতে হত বিকাশকে নিয়ে। পথেই বিপত্তি। হঠাৎ করে সামনে চলে আসে গরু-মোষের পাল। তাদের বাঁচাতে গিয়েই উল্টে যায় পুলিশের গাড়ি।আর সেই সুযোগেই পুলিশকর্মীর পিস্তল নিয়ে পালায় বিকাশ দুবে।কানপুর এনকাউন্টার কান্ডে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে এমনই দাবি করল উত্তরপ্রদেশ পুলিশের এসটিএফ বাহিনী। পাশাপাশি গাড়ি থেকে বিকাশের বন্দুক নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনার স্বপক্ষে পুলিশ আরো বলে, বিকাশকে জীবিত অবস্থায় ধরার জন্য তারা সব রকম চেষ্টা করেছিল। পুলিশের দাবি, দুর্ঘটনার পর গাড়িতে থাকা পাঁচ পুলিশ কর্মী আহত হয়ে অচেতন হয়ে পড়েন সেই সুযোগেই এক পুলিশকর্মীর বন্দুক নিয়ে পালাতে সক্ষম হয় বিকাশ। শুধু তাই নয়, উত্তরপ্রদেশ পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, কানপুরের সচেন্ডি থানা এলাকায় আচমকাই পুলিশের ওই কনভয়টির সামনে গরু-মোষের পাল চলে আসায় দ্রুত গাড়িটিকে নিয়ে পাশ কাটিয়ে বের হতে চান গাড়ির চালক।সেই সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি উল্টে যায়। এসটিএফ-এর দাবি দীর্ঘযাত্রার জন্য ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল চালক। সেই সময়ই গরু-মোষের ওই পাল হঠাৎ করে গাড়ির সামনে চলে আসায় বিপত্তি ঘটে। তাঁদের আরও দাবি, কনভয়টি উল্টে যাওয়ার সুযোগে বিকাশ পালাতে শুরু করলে পেছন থেকে আসা পুলিশের আরো একটি গাড়ি ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছয় সেই গাড়িতে ছিলেন উত্তর প্রদেশের সহকারি প্রধান তেজ বাহাদুর সিংহ ও তার সহকারী টিম।
উল্লেখ্য, এই তেজ বাহাদুর সিং এর নেতৃত্বে বিকাশ কে ফিরিয়ে আনা হচ্ছিল কানপুরে। পুলিশের দাবি,সে সময় আহত পুলিশ কর্মীদের কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ শুনে তেজ বাহাদুর সিং এর নেতৃত্বে থাকা ওই টিম বিকাশের পিছু নেয়। পাল্টা তাদের দিকে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে বিকাশ। এই সময় বিকাশকে জীবিত ধরার জন্য পুলিশ কর্মীরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়েই তার কাছাকাছি পৌঁছানোর চেষ্টা করেন। তা সত্বেও বেপরোয়াভাবে গুলি চালাতে থাকে বিকাশ। তখন বাধ্য হয়ে নিজেদের বাঁচাতে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। তাতে আহত হয় বিকাশ।পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে বলে দাবি করা হয়েছে ওই প্রেস বিবৃতিতে।