নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, মুর্শিদাবাদ: গঙ্গায় স্মান করতে গিয়ে তলিয়ে গেলো পাঁচ শিশু। তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও এখনও নিখোঁজ দুই শিশু। শনিবার দুপুর দুই ঘটিকা নাগাদ ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জের লোহরপুর ঘাটে। তলিয়ে যাওয়া ওই দুই শিশুর নাম সাকিবুল ইসলাম(৮) ও খাতিজা সুলতানা(৯)। তাদের বাড়ি সামসেরগঞ্জের মধ্য চাচন্ড। স্থানীয় উত্তর চাচন্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাকিবুল দ্বিতীয় শ্রেণী ও খাতিজা তৃতীয় শ্রেণীতে পড়াশুনা করত। তলিয়ে যাওয়া শিশুদের সন্ধানে চলছে তল্লাশি। ঘটনাস্থলে এসেছে সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ বাহিনী।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দুপুর নাগাদ নিত্যদিনের মতো গঙ্গায় স্মান করতে গিয়েছিলো ওই পাঁচ শিশু। হঠাতই বিশাল স্রোতে ধাক্কা মারলে তলিয়ে যায় তারা। নদীঘাটে উপস্থিত মানুষজন তড়িঘড়ি কায়েমা খাতুন, রওশন শেখ ও ইয়াসিন মোমিনকে হাত ধরে টেনে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে। যদিও গভীর জলে তলিয়ে যায় ওই অন্য দুই শিশু। এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়াতেই নদী তীরে ভিড় জমায় এলাকার মানুষজন। ছুটে আসে পুলিশ। খবর দেওয়া হয় ডুবুরি দলকে। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় বিএসএফের একটি বোটের সাহায্য চলে নিখোঁজ শিশুদের তল্লাশি। শনিবার বিকেল চারটা পর্যন্ত খোঁজ মেলেনি তাদের।

নিখোঁজ শিশুর বাবা সারিফুল হক জানান, সকালে গ্রামেরই একটি বেসরকারি স্কুল থেকে পড়াশুনা করে এসে বেলা একটা নাগাদ নিত্যদিনের মতো বাড়ির পাশের নদীতে স্মান করতে গিয়েছিলো তারা। কিছুক্ষণের মধ্যেই তলিয়ে যাওয়ার খবর আসতেই আমরা ছুটে যায়। গ্রামবাসীদের সাহায্যে তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করা গেলেও এখনও দুই শিশুর খোঁজ পাওয়া যায়নি। আমরা চরম উদ্বিগ্ন। অন্যদিকে জীবিত উদ্ধার হওয়ায় নতুনভাবে প্রাণ ফিরে পেয়ে গ্রামবাসীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন কায়েমা খাতুন, রওশন শেখ ও ইয়াসিন মোমিনের পরিবার।