টিডিএন বাংলা ডেস্ক: একদিকে ক্ষুধার্ত মানুষ দুমুঠো ভাতের জন্য লড়াই করে যাচ্ছে অন্যদিকে গুদামে মজুদ হওয়া লক্ষ লক্ষ টন খাদ্যশস্য নষ্ট হচ্ছে! পর্যাপ্ত পরিকাঠামো না থাকার কারণে ভারতের খাদ্য শস্য নষ্টের এমনই অমানবিকতার চিত্র ফুটে উঠলো দেশে। সম্প্রতি আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমীক্ষায় দেখানো হয়, করোনার এই কঠিন সময়ে সঙ্কটে প্রায় ৬৭ শতাংশ দেশবাসী। ৬৩ শতাংশ মানুষের রোজগার কমে গেছে। ৭৪ শতাংশ ভারতবাসীই কোনও রকমে আধপেটা খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন।

পাশাপাশি এক সপ্তাহের রেশনও নেই ৬১ শতাংশ দেশবাসীর ঘরে! দেশের যখন চরম দুর্বিষহ অবস্থা ফুটে উঠছে বিভিন্ন সমীক্ষায় ঠিক তখনই একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে ফুটে উঠলো অন্য চিত্র। সেই সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত চার মাসে অতিরিক্ত বা উদ্বৃত্ত খাদ্যশস্যের পরিমাণ ৭.২ লক্ষ টন থেকে ৭১.৮ লক্ষ টনে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনায় এপ্রিল-মে মাসে যে পরিমাণ চাল ও গম সরবরাহ করা হয়েছে তার থেকেও বেশি পরিমাণে বিনষ্ট ফসলের পরিমাণ। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী,গত তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে অতিরিক্ত এই ফসল কার্যত ফুড কর্পোরেশানের মাথাব্যথার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের দাবি, অতিরিক্ত এই শস্য লম্বা সময় মজুত করার মতো পরিকাঠামো নেই। ফলে মজুত হওয়া শস্যের প্রায় ১১ শতাংশই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।