টিডিএন বাংলা ডেস্ক: বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় আমফানের জেরে বিধ্বস্ত দুই ২৪ পরগনা সহ রাজ্যের একাধিক জেলা। এখনও তাদের কাছে থিক মতো বিদ্যুৎ পৌঁছায়নি। খাবার নিয়েও তীব্র সংকট।  আমপান-প্রভাবে রাজ্যে মৃতের সংখ্যা ৮৬ থেকে বেড়ে হয়েছে ৯৮। বিস্তীর্ণ এলাকার ক্ষত মেরামত-সহ ত্রাণের বিপুল কাজ করতে হচ্ছে রাজ্যকে। এবার আমপানে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে আরও ৬২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করল মমতার সরকার। বৈষ্যমহীন ভাবে বিতরণের স্বার্থে ত্রাণ সামগ্রী সরকারের হাতে তুলে দিতে ইচ্ছুক ব্যক্তি বা ব্যক্তি সমষ্টির উদ্দেশে আর্জি জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার তিনি বলেন, ‘‘এক জায়গা থেকে ত্রাণ বিলি করা হলে প্রত্যেকের কাছে প্রয়োজন মতো তা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।’’

মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ছ’টি জেলায় ৮০ শতাংশ বিদ্যুতের কাজ হয়ে গিয়েছে। ১০টা জেলায় ১০০ শতাংশ কাজ শেষ। বাকি কয়েকটি এলাকায় দ্রুত কাজ শেষ করা যাবে। বাড়ি বাড়ি সংযোগের নিরিখে ৮৮ লক্ষের মধ্যে ৭০ লক্ষ গ্রাহক বিদ্যুৎ পেয়ে গিয়েছেন। বাকিরাও দ্রুত পেয়ে যাবেন।  প্রাথমিক ভাবে এ দিন দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া এবং পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে অর্থ পৌঁছে দিয়েছে রাজ্য সরকার।

কোন খাতে কী বরাদ্দ

• প্রাথমিক ৫ লক্ষ পরিবারের বাড়ির ক্ষতি বাবদ ২০,০০০ করে টাকা • অতিরিক্ত, একশো দিনের কাজের মজুরি নিশ্চিতকরণে ২৮,০০০ করে টাকা • পরে আরও
৫ লক্ষ ক্ষতিগ্রস্তের ব্যবস্থা • ২০ লক্ষ কৃষককে ১৫০০ করে টাকা, মোট বরাদ্দ ৩০০ কোটি • পানের বরজ বাবদ ২০০ কোটি • ১ লক্ষ ক্ষতিগ্রস্তকে ৫০০০ করে টাকা • অতিরিক্ত, একশো দিনের কাজের মজুরি নিশ্চিতকরণে ১৫,০০০ করে টাকা
• টিউবওয়েল বসানো ২৫০ কোটি • সেচ বাঁধ মেরামত ২০০ কোটি • পূর্ত-রাস্তা মেরামত ১০০ কোটি
• গ্রামীণ রাস্তা মেরামত ১০০ কোটি • স্কুল মেরামত ১০০ কোটি • প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন ১০০ কোটি • মৎস্য ১০০ কোটি • উদ্যানপালন ১০০ কোটি • কৃষকবন্ধু প্রকল্প ৮০০ কোটি • ৫০ লক্ষ উপভোক্তার জয়বাংলা প্রকল্পে ১০০০ কোটি। তাতে জুন-জুলাইয়ে সামাজিক পেনশন মাথাপিছু ২০০০ টাকা।