HighlightNewsদেশ

সরকার এলপিজির দাম ২৬৫ টাকা বাড়িয়েছে নভেম্বর ২০২০ থেকে : কংগ্রেস

টিডিএন বাংলা ডেস্কঃ এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৫ টাকা বাড়ানোর একদিন পর, কংগ্রেস সরকারকে আক্রমণ করে জানায় যে গত বছরের নভেম্বর থেকে রান্নার গ্যাসের দাম প্রতি সিলিন্ডারে ২৬৫ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে এবং মে ২০২০ এর পর থেকে রান্নার গ্যাসে কোনো ভর্তুকি দেয়নি। দলীয় সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে কংগ্রেসের মুখপাত্র সুপ্রিয়া শ্রীনাতে বলেন, “এলপিজি সিলিন্ডারের দাম আবার ২৫ টাকা বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে দিল্লিতে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৮৫৯ টাকা হয়ে গেছে।তিনি জানিয়েছেন যে ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে সরকার এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৬৫ টাকা বাড়িয়েছে, যা ৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি। আরও বলেন যে ২০২০ সালের মে মাস থেকে সরকার রান্নার গ্যাসে কোন ভর্তুকি দেয়নি। “২০১৪ সালে জ্বালানিতে ভর্তুকি ছিল ১.৪৭ লক্ষ কোটি টাকা, যা ২০২১ সালের বাজেটে কমিয়ে ১২ হাজার কোটি টাকা করা হয়েছে।” সংবাদসন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আলকা লাম্বা এবং রাধিকা খেরাও। তিনি বলেন, জ্বালানির ওপর করের মাধ্যমে সরকার ৪.৫৩ লক্ষ কোটি টাকা উপার্জন করেছে কিন্তু দেশের মানুষকে কোনো সুবিধা দেওয়া হয়নি এর প্রেক্ষিতে।টানা দ্বিতীয় মাসে তেল কোম্পানিগুলো দেশীয় রান্নার গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে। পহেলা জুন একটি ঘরোয়া সিলিন্ডারের দাম ৮০৯ টাকা ছিল যা পহেলা জুলাইয়ে বাড়িয়ে ৮৩৪ টাকা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কটাক্ষ করে কংগ্রেস নেতা বলেন, “২০১৩ সালের জুন মাসে মোদীজি বলেছিলেন যে দিল্লিতে বসে সরকারের মূল্যস্ফীতির কারণে দেশের মানুষ ভুগছে।” শ্রীনেট বলেন, “এর চেয়ে অন্য মিথ্যা আর কিছু হতে পারে না, যখন দেশের মানুষ মুদ্রাস্ফীতির কবলে পড়ছে, কিন্তু এলপিজির দাম কমিয়ে সরকার তাদের কোনো ত্রাণ দিতে উদ্বিগ্ন নয়।” কংগ্রেস নেতা বলেন, অর্থনৈতিক মন্দা, বেকারত্ব এবং কম উপার্জনের কারণে এটি দেশের মানুষের উপর নিষ্ঠুর পরিহাস। তিনি বলেন, যদি সৌদি আরবের আরামকোর দামের তুলনা করা হয় তাহলে অপরিশোধিত গ্যাসের বর্তমান মূল্য প্রতি মেট্রিক টন ৬১১.১ডলার। এবং অপরিশোধিত গ্যাসের বর্তমান দাম অনুযায়ী ভারতে এলপিজি সিলিন্ডার প্রতি সিলিন্ডারে ৬০০.৭ টাকায় বিক্রি করা উচিত। সরকারের উজ্জ্বলা স্কিমের নিন্দা করে তিনি বলেন, “সরকার তার উজ্জ্বলা স্কিমের প্রশংসা করতে থাকে, কিন্তু তারা উল্লেখ করতে ভুলে যায় যে ২ কোটি মানুষকে দারিদ্র্যসীমার নিচে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। এবং তাদের মধ্যে কতজন এলপিজি সিলিন্ডার ব্যাবহার করতে পারে যা ৮৫৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে”, তিনি জিজ্ঞাসা করেন। শ্রীনেট সরকারের কাছে দাবি করেন যে তারা কিছু শালীনতা দেখাবে এবং অবিলম্বে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম কমাবে যাতে সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পায়।

Related Articles

Back to top button
error: