Tripura: হিংসার অভিযোগ তুলে আগরতলায় আবারো ভোট করার দাবি তৃণমূল এবং সিপিএমের

টিডিএন বাংলা ডেস্ক : ত্রিপুরাতে শুরু হয়েছে পৌরসভার ভোট। ভোটের আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আগরতলার সমস্ত বুথকেই ‘স্পর্শকাতর’ ঘোষণা করেছিল ত্রিপুরা রাজ্য নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। কিন্তু তার পরেও ভোটের দিন এড়ানো গেল না সংঘাত। কোথাও সিপিএমের ‘ক্যাম্প অফিস’ ভাঙার অভিযোগ উঠেছে তো কোথাও রাস্তার উপরেই ধরে পেটান হল তৃণমূল প্রার্থীকে। সিপিএম আগরতলার সমস্ত বুথে পুনর্নির্বাচন দাবি করেছে। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক জিতেন্দ্র চৌধুরীর অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতেই ১৩ নম্বর ওয়ার্ডে ছাপ্পা ভোট দিয়েছে বিজেপি।

অন্যদিকে তৃণমূলের রাজ্য আহ্বায়ক সুবল ভৌমিক বলেন, ‘‘শাসকদল গণতন্ত্রকে প্রহসনে পরিণত করেছে।’’ তৃণমূল নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করেছে রাজ্য সরকার। আমরা রাজ্য নির্বাচনের কাছে আগরতলায় পুরভোট বাতিল করার দাবি জানাব।’’ যদিও বিজেপির তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘ত্রিপুরার মানুষ বিরোধীদের যাবতীয় প্ররোচনা এবং ষড়যন্ত্রের জবাব দিয়েছেন। প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। ভোটকর্মী এবং পুলিশকর্মীরাও সুষ্ঠু এবং অবাধ ভোট কারতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন। তাঁদের ধন্যবাদ জানাই।’’

ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলার পাশাপাশি রাজ্যের অন্য কয়েকটি পুর এলাকাতেও শাসকদল বিজেপি-র বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠেছে। তবে কেবলই তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেসই নয় আগরতলার বিজেপি বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণও নিজের দল বিজেপির বিরুদ্ধেই সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছেন। প্রাক্তন মন্ত্রী সুদীপ অভিযোগ করে বলেন, ‘‘বহিরাগতদের এনে ভোট করানো হয়েছে। বাধা দেওয়া হয়েছে ভোটারদের।’’ একই সঙ্গে তিনি মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে উদ্দেশ করে কটাক্ষ করে বলেন, “ভয় দেখিয়ে ভোট না করালেও পারতেন মুখ্যমন্ত্রী। নেতৃত্বের শিশুসুলভ আচরণের জন্য দলের বদনাম হচ্ছে। মানুষের অভিশাপ কুড়োতে হচ্ছে।’’ অবশ্য পুরনির্বাচনে প্রায় ৭৫ শতাংশ ভোট পড়েছে।”