করোনার সংকটে ধুঁকছে দেশ, তবু কূটনৈতিক অবস্থান ধরে রাখতে পড়শি দেশে টিকা রফতানির পক্ষে দিল্লি

প্রতীকী ছবি

টিডিএন বাংলা ডেস্ক: সারা দেশ জুড়ে বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রতিদিন একাধিক টিকার অপতুলতার কথা সামনে আসছে। অধিকাংশ জায়গায় টিকার অভাবে আটকে পড়েছে ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সীদের টিকাকরণ প্রক্রিয়া। মিলছে না করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই পরিস্থিতিতে সমালোচনার মুখে পড়ে সাময়িকভাবে টিকা রপ্তানিতে পিছু হটলেও, কূটনৈতিকভাবে উপমহাদেশে নিজেদের কর্তৃত্ব বজায় রাখতে আগামী দিনে পড়শী দেশগুলিতে টিকা পাঠাতে বদ্ধ পরিকর কেন্দ্র।

পাকিস্তান বাদে ভারতের অন্যান্য যে প্রতিবেশী দেশগুলিতে করোনার প্রকোপ সবচেয়ে বেশি সেগুলি হলো বাংলাদেশ, নেপাল এবং মলদ্বীপ। মলদ্বীপে এই মুহূর্তে সংক্রমণের হার প্রায় ৬০ শতাংশ। করোনার প্রকোপ নেপালের স্বাস্থ্য পরিকাঠামো একেবারে ভেঙে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে পড়শী দেশগুলিতে টিকাকরণ বাড়ানোকেই প্রাধান্য দিচ্ছে দিল্লি। তাই ভারতীয় উপমহাদেশে বৃহত্তম শক্তিশালী দেশ হিসেবে নিজেদের কর্তৃত্ব ধরে রাখতে এবং বিপদে থাকা পড়শী দেশের পসে দাঁড়াতে আপাতত কম পরিমানে হলেও টিকা রপ্তানি চালু রাখার পক্ষেই দিল্লি।