BREAKING NEWS : বিধান পরিষদ গঠনের প্রস্তাব পাশ বিধানসভায়

নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, কলকাতা : ভোটাভুটিতে রাজ্য বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল বিধান পরিষদ গঠন প্রস্তাব। উপস্থিত ২৬৫ জন বিধায়ক। বিধান পরিষদ গঠনের পক্ষে: ১৯৬, বিধান পরিষদ গঠনের বি পক্ষে:৬৯ ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার বিধান পরিষদ গঠনের বিষয়ে তৎপর হয়েছে। ২০১১ সালে রাজ্য পালাবদলের পর থেকেই বিধান পরিষদ গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসার পর এই বিধান পরিষদ নিয়ে আরো বেশি তৎপরতা শুরু হয়েছে। রাজ্য সরকার বিধান পরিষদ চাইলেও বিরোধী দল বিজেপি এর বিরোধিতায় সরব। আবার যদি দেখা যায় উত্তরপ্রদেশের মত রাজ্যে বিধান পরিষদ আছে। ভারতের আরো বেশ কয়েকটি রাজ্যে বিধান পরিষদ আছে। তাহলে পশ্চিমবঙ্গে নয় কেন? এই প্রশ্ন বিভিন্ন মহল থেকে উঠতে শুরু করেছে। বিভিন্ন মহল থেকে এই বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে। তাদের বক্তব্য বিধান পরিষদ গঠন নিয়ে এক দেশ এক নীতি হওয়া প্রয়োজন। বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে মঙ্গলবার বিধান পরিষদ গঠনের প্রস্তাবে ভোটাভুটি হয়। ভোটাভুটিতে রাজ্য বিধানসভায় পাশ হয়ে গেল বিধান পরিষদ গঠন প্রস্তাব। উপস্থিত ছিলেন ২৬৫ জন বিধায়ক। বিধান পরিষদ গঠনের পক্ষে ভোট পড়ে ১৯৬। বিধান পরিষদ গঠনের বিপক্ষে ৬৯।

পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “সংবিধান অধিকার কে প্রয়োজন। সংবিধান কে রেখে তৈরি করা হবে বিধন পরিষদ।
১৯৪৭সালের পর ভাগ হয়ে যায়। ১৯৫২সংবিধান অনুযায়ী বিধানসভা গঠন করা হয়। বিধান পরিষদ গঠন করা হলো। বন্ধ হলো, আবার হলো বিধান পরিষদ।উত্তর প্রদেশ, কর্ণাটক, সংখ্যায় কম, তাহলে বন্ধ করা হোক। দেশের সংবিধান অনুযায়ী আলাদা আলাদা রাজ্যের জন্য হয় না। বিধান পরিষদ গঠন করার ক্ষমতা আছে। তার জবাব সংবিধানে দেওয়া আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মধ্যে এই চিন্তা আছে বলেই সমাজের সব শ্রেণীর মানুষের প্রতি আগত ভাবনার কারনে আজ বিধানসভায় উপস্থিতি বলছেন। গত দু বছর ধরে ভাঙ্গা কাসার মতো বাজিয়ে চলেছেন রাজ্যের অর্থনীতি অবস্থা স্থিতিশীল নয়। সিপিআই এম ও কংগ্রেসের সাথে আদর্শ ও রাজনীতি ভাবে মতো বিরোধ থাকতেই পারে।কিন্ত রাজ্যে থেকে রাজ্যের উন্নয়ন চাইবো না এটা হতে পারে? আলোচনা চলতেই থাকবে। কিন্তু সকলের কথা ভেবে দলমত নির্বিশেষে একটি ইস্যুতে এক হতে পারি না? আমরা টিএমসি বিধায়করা বলবো বিধান পরিষদ গঠন করা প্রয়োজন আছে। সেদিন জ্যোতি বসু, সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় কেন ভেবে ছিলেন এই বিধান পরিষদ গঠন করা প্রয়োজন। বহু কোটি টাকার ঋণ ছিল সেই টাকা আমরা ধীরে ধীরে পরিশোধ করছি। মানুষে পাশে দাড়িয়ে মানুষের কথা ভেবেই এগিয়ে আসুন বাংলার মানুষের কথা ভেবেই। বিরোধী দলে আছেন বলেই যে বিরোধিতা করতে হবে এমন তো কথা নেই। বৃহত্তর মানুষের কথা ভেবেই এগিয়ে আসুন বাংলার মানুষের কথা ভেবেই এগিয়ে আসুন বিরোধীদের উদ্দেশ্যে বললেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।