বিহারের বৈশালীতে এক মুসলিম তরুণীকে গায়ে আগুন লাগিয়ে হত্যা; নির্বাচনী ফায়দা লুটতে ঘটনায় ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ রাহুল গান্ধীর

Rahul Gandhi
Screenshot taken from twitter account of Rahul Gandhi

টিডিএন বাংলা ডেস্ক: বিহারের বৈশালীতে গত ৩০ অক্টোবর দেশরী থানা এলাকার রসুলপুর হাবিব গ্রামের বাসিন্দা ২০ বছরের এক্ত মুসলিম তরুণী গুলনাজ থাতুনকে তার গ্রামিনী দুই যুবক চন্দন ও সতীশ গায়ে আগুন লাগিয়ে হত্যা করার চেষ্টা করে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ওই যুবতীকে নানা রকম কুপ্রস্তাব দিত ওই দুই যুবক। আর তাদের এই প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় পুড়িয়ে মেরে ফেলার প্রচেষ্টা করে ওই দুই যুবক। এই ভয়াবহ ঘটনার পর যুবতীর আত্মীয়রা তাকে স্থানীয় হাজীপুরের হাসপাতালে ভর্তি করে এবং সেখানেই পুলিশের ওই দুই যুবকের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানান যুবতী। এই ঘটনার পরের দিন গুরুতর অবস্থায় ওই তরুণীকে পাটনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় এবং সেখানে দ্বিতীয়বার ওই তরুনীর বয়ান রেকর্ড করা হয়। এরপর টানা ১৫ দিন লড়াই করার পর ১৫ নভেম্বর শেষ পর্যন্ত মারা যান ওই তরুণী। এই ঘটনার কথা উল্লেখ করে মিটির সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে নিজের টুইটার হ্যান্ডেল এ একটি টুইট করে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী লেখেন,”কার অপরাধ বেশি মারাত্মক? যে এই অমানবিক কাজ করেছে? নাকি, যে নির্বাচনী লাভের জন্য এই ঘটনাকে ধামা চাপা দিয়েছে যাতে এই কুশাসনের ওপর নিজের মিথ্যে সুশাসনের ভিত গড়ে তুলতে পারে?”

নিজেরে টুইটার সঙ্গে রাহুল গান্ধী একটি সর্বভারতীয় হিন্দি দৈনিক পত্রিকার খবর উল্লেখ করেছেন। ওই খবরে বলা হয়েছে নির্বাচনের সময় পরিস্থিতি যাতে খারাপ না হয়ে যায় সেজন্য যুবতীকে জীবন মারার ঘটনা ধামাচাপা দিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসতে উত্তাল হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে তরুণীর মৃতদেহ নিয়ে পথ অবরোধ করে রাস্তায় বিক্ষোভ দেখান তরুনীর আত্মীয়স্বজন এবং গ্রামের বাসিন্দারা। যদিও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। এখনো পর্যন্ত চন্দন নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে এই ঘটনায় অভিযুক্ত অপর দুই যুবক এখনো পলাতক।