ভোট-পরবর্তী হিংসার তদন্তে গিয়ে হামলার শিকার মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা

যাদবপুরে জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশনের ভাইস-চেয়ারপার্সন আতিফ রশিদ।

টিডিএন বাংলা ডেস্ক : রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন ও ভোট পরবর্তী সময়ে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন প্রান্তে হিংসার অভিযোগ ওঠে। অধিকাংশ অভিযোগ ওঠে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। অবশ্য কোথাও কোথাও বিরোধী দল কর্তৃক শাসকদলের আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এই ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজনীতির ময়দান অনেকদিন ধরেই সরগরম হয়ে আছে। তাছাড়া রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরও এ বিষয়ে বারবার রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। কেন্দ্রীয় সরকারও ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্য সরকারকে সতর্ক করেছে। এমতাবস্থায় জুন মাসের মাঝের দিকে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা করা হয়। এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট মানবাধিকার কমিশন কর্তৃক তদন্তের নির্দেশ দেয়। এই নির্দেশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার হাইকোর্টে আপিল করে। কিন্তু রাজ্য সরকারের সেই আর্জি খারিজ করে দেয় হাইকোর্ট। এরপর ২১ জুন মানবাধিকার কমিশনের ৭জন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটি রাজ্যের হিংসার অভিযোগ ওঠা এলাকা পরিদর্শন করে তদন্ত রিপোর্ট তৈরি করছে। এই তদন্তের ধারাবাহিকতায় তারা যাদবপুরে পরিদর্শন করতে যায়। অভিযোগ সেই সময় বেশ কিছু দুষ্কৃতী তদন্ত কমিশনের প্রতিনিধিদের উপর হামলা করে। এই তদন্ত কমিশনে সংখ্যালঘু কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যানও ছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, “যাদবপুরে পরিদর্শনে গেলে দুষ্কৃতীরা আমাদের উপর হামলা করে এমনকি পুলিশও হামলা থেকে রেহাই পায়নি।” তিনি আরও জানিয়েছেন, সেখানে প্রায় ৪০টির বেশি বাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। তিনি মনে করেন, তাদেরকে এই এলাকা পরিদর্শনে বাঁধা দিতেই এই হামলা করা হয়েছে।