সাতসকালেই বিস্ফোরণ ভাঙড়ে

প্রতীকী ছবি

নিজস্ব সংবাদদাতা, টিডিএন বাংলা, ভাঙড়ঃ সাতসকালে ঘটলো এক বিস্ফোরণ যাতে কেঁপে উঠল গোটা ভাঙ্গড়। সকলের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে নানা প্রশ্ন যে টানটান লড়াইয়ে বিধানসভা নির্বাচন (দু-একটা বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া) শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হয়েছে, ভোটের ফলাফল বের হতেও এখনো বাকি আট দিন এবং এই সময় গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব অথবা রাজনৈতিক দলে দলে ঝামেলা লাগার সম্ভাবনা খুবই সামান্য। তারপরেও কিভাবে ঘটলো এই বিস্ফোরণ? আসলে একটি অবৈধ চামড়া কারখানার ঘটনা এটা। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভাঙ্গড়ে শুরু হয়েছে তুমুল শোরগোল। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙ্গড়ের বাসন্তী হাইওয়ের বালিগাদার কাছে মালঞ্চ পদ্মপুকুর নামের এক এলাকায়। ঘটনায় জখমের সংখ্যা ১১ জন। এরা সকলেই চামড়া কারখানার শ্রমিক। তাঁদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এদের মধ্যে তিন জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে চলে আসে বিশাল পুলিশবাহিনী। পুলিশের সামনে স্থানীয় গ্রামবাসীরা কারাখানা বন্ধের দাবি জানান। পুরো বিষয়টি এখন খতিয়ে দেখছে পুলিশ আধিকারিকরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মালঞ্চ পদ্মপুকুর এলাকায় বেশ কয়েক বছর ধরে একটি কারখানা চলছিল। এদিন সকাল থেকেই চামড়া ট্যান করার কাজ চলছিল। চামড়া ট্যান করার সময় বিদ্যুৎ চালিত মেশিন থেকে আচমকা ধোঁয়া উঠছে দেখেন কর্মীরা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বিস্ফোরণ হয়। গুরুতর আহত হন কারখানার মধ্যে থাকা ১১ জন শ্রমিক।

বিস্ফোরণের জোরালো আওয়াজ পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে জখম শ্রমিকদের উদ্ধার করে স্থানীয় নলমুড়ি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করে। তবে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে কলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বারুইপুর পুলিশ জেলার ডিএসপি তমাল সরকার এবং ভাঙড় থানার ওসি তীর্থেন্দু গাঙ্গুলী। আপতত কারখানা সীল করে দিয়েছে পুলিশ আধিকারিকরা।