মায়ানমারে গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারীরা সমর্থন দেখায় রোহিঙ্গাদের প্রতি

মায়ানমারে গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারীরা সমর্থন দেখায় রোহিঙ্গাদের প্রতি

 

agitation at mayanmar

টিডিএন বাংলা ডেস্ক: মায়ানমারের সামরিক শক্তি জুনটা এর বিরুদ্ধে আন্দোলনরত গণতন্ত্রপন্থী বিক্ষোভকারীরা মায়ানমারের সোশ্যাল মিডিয়ায় কালো রঙের ড্রেস পরে রোহিঙ্গা দের প্রতি সমর্থন জানায় এবং যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ড হয়ে ওঠে।

রোহিঙ্গারা দেশের সর্বাধিক নির্যাতিত সংখ্যালঘু , এমনকি সমরকির ও রাজনৈতিক অত্যাচারের কারণে তারা শরণার্থী হয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থান নিয়েছে।

দেশের সামরিক বাহিনী ১ই ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে বেসামরিক নেতা অং সান সু চি কে ক্ষমতা থেকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে গণতন্ত্রে ফিরে আসার দাবিতে জুনটা বিরোধী গণআন্দোলন শুরু হয়। সেই আন্দোলনে জাতিগত সংখ্যালঘু অধিকারের লড়াই অন্তর্ভুক্ত হয়ে উঠেছে।

মায়ানমারের থেকে পালিয়ে আসা এক বৃহৎ অংশের রোহিঙ্গা মুসলমানকে বাংলাদেশে ইন্টারন্যাশনাল রাজনৈতিক শরণার্থী হিসেবে অবস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উক্ত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নাগরিকত্ব , বিভিন্ন পরিষেবা মূলক অধিকার ও স্বাধীন চলাচল থেকে বঞ্চিত করেছে মায়ানমার।

“#Black4Rohinga” ট্যাগে পোস্ট করা কালো ব্যাজ পরা এবং তিন-আঙুলের প্রতিরোধ বিরুদ্ধ ভঙ্গিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন পোষ্ট করতে থাকেন বেসামরিক নাগরিক ও বিভিন্ন আন্দোলনের নেতা কর্মীরা।

“মায়ানমারে ন্যায়বিচার তোমাদের এবং আমাদের প্রত্যেকের জন্য অবশ্যই হওয়া উচিত,” বিশিষ্ট মানব অধিকার কর্মী থিনজার শুনলেই ই টুইটারে বলেন।

একটি ছোটো প্রতিবাদ স্থানীয় গণমাধ্যমে দেখানো হয়েছিল। মিয়ানমারের বাণিজ্যিক কেন্দ্র ইয়াঙ্গুনে এই প্রতিবাদ হয়েছিল। ব্ল্যাক পরিহিত বিক্ষোভকারীরা বার্মিজ ভাষায় বিক্ষোভকারীরা নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের পক্ষে প্রতিবাদ করছিল ।
টুইটারে #Black4Rohinga হ্যাশট্যাগ টি টপ ট্রেন্ড করে যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষেরা তাদের পক্ষ নিয়ে কথা বলে।

২০১৩ সালে মায়ানমারের পশ্চিমে রক্তক্ষয়ী সামরিক অভিযানে প্রায় ৭৪০,০০০ রোহিঙ্গা ধর্ষণ, গণহত্যা ও অগ্নিসংযোগের শিকার হয়ে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছিল।
রোহিঙ্গাদের দুর্দশার পক্ষে মায়ানমারের জনগণ অনেকাংশেই অসম্মানিত এবং তাদেরই একটা অংশ এদের সমর্থনে প্রতিবাদ শুরু করেছে।