হাইকোর্টের রায়ের অপেক্ষা না করেই কঙ্গনার ‘মনিকর্নিকা’র ওপর বুলডোজার চালাল বিএমসি

টিডিএন বাংলা ডেস্ক: কঙ্গনা রানাওয়াত হিমাচল থেকে মুম্বাই এসে পৌঁছানোর আগেই ভাঙচুর শুরু করল বিএমসি। সকাল সাড়ে দশটায় সময় কঙ্গনার প্রোডাকশন হাউজের অফিস মণিকর্ণিকা ভেতরের এবং বাইরের অংশে ভাঙচুর করতে শুরু করে বিএমসি। গতকাল বিএমসি তরফ থেকে মণিকর্ণিকা বাইরে বেআইনি নির্মাণ এর নোটিশ লাগিয়ে দেওয়া হয়। এরপর এদিন সকালে সাড়ে ১০:৩০ থেকে ১২ টা ৪০ পর্যন্ত লাগাতার ভাঙচুর করে বিএমসি। বান্দ্রার পালি কিরে অবস্থিত কঙ্গনা রানাওয়াত এর মণিকর্ণিকা অফিসের বাইরের ব্যালকনির অংশ সম্পূর্ণরূপে বুলডোজার চালিয়ে ভেঙে ফেলা হয়।

বিএমসির ভাঙচুর শুরু হতেই টুইটারে একের পর এক হামলা চালাতে থাকেন কঙ্গনা। নিজের অফিসের সঙ্গে রাম মন্দির এবং শিবসেনার সঙ্গে তথা বিএমসির কর্মচারীদের সঙ্গে বাবরের সেনার তুলনা করে কঙ্গনা রানাওয়াত লেখেন,”এটা শুধুমাত্র একটা দপ্তর নয়, এটা রাম মন্দির, আজ এখানে বাবর এসেছে।”শুধু তাই নয়, কঙ্গনার দাবি তিনি মুম্বইকে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের সঙ্গে তুলনা করে কোন ভুল করেননি এটাই প্রমাণিত হয়ে গেল।

এদিকে, আগামীকাল দুপুর তিনটে পর্যন্ত বিএমসিকে ভাঙচুর বন্ধ করতে আদেশ দিয়েছে বম্বে হাইকোর্ট। শুধু তাই নয় আগামীকাল বিএমসিকে জিজ্ঞাসা করা হবে যে ঠিক কি কারনে তারা এত তাড়াহুড়ো করে ভাঙচুর শুরু করলো। হাইকোর্টের রায়ের অপেক্ষা না করে কিভাবে বুলডোজার চালানো হলো। তবে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ আসার আগেই যথেচ্ছভাবে ভাঙচুর চালিয়েছে বিএমসি।