Rafale jet: এল আরও তিনটি রাফাল , থাকবে উত্তরবঙ্গে হাসিমারায়

টিডিএন বাংলা ডেস্ক : ভারতের মাটি ছুঁল আরও তিনটি রাফায়েল যুদ্ধবিমান। ফ্রান্সের ইস্তরেস বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে উড়ান শুরু করেছিল বিমানগুলি। প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটার একটানা উড়ে বুধবার ভারতে পৌঁছোয় তিনটি রাফায়েল। এখনও পর্যন্ত ২৪টি রাফায়েল ভারতে এসেছে।

ভারত-ভূটান ট্রাইজংশন-এর কাছাকাছি অবস্থিত হাসিমারাই হবে রাফালের সেকেন্ড হোম। ফ্রান্স থেকে আসার পর হরিয়ানার আম্বালাই ছিল রাফালের প্রথম ঘাঁটি। তবে এবার রাফালের দ্বিতীয় স্কোয়াড্রন শোভা বাড়াবে বাংলার হাসিমারার। প্রতিটি স্কোয়াড্রনে ১৮টি করে যুদ্ধবিমান থাকবে। বুধবার পৌঁছোনো নতুন যুদ্ধবিমানগুলিকে রাফায়েলের দ্বিতীয় স্কোয়াড্রনের অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে বায়ুসেনা সূত্রের খবর। হাসিমারা এয়ার বেসেই সেগুলি থাকবে।

হাসিমারা এয়ার বেসে রাফাল মোতায়েন করা ভারতের পক্ষে বড় ব্যাপার। কারণ, এরফলে চিনের দিকে আরও কড়া নজর রাখতে পারবে ভারত। সম্ভবত, জুলাইয়ের শেষেই হাসিমারা এয়ার বেসে রাফাল মোতায়েন করা হবে। হাসিমারা ঘাঁটিটি থেকে চীন সীমান্তে পৌঁছনো সহজ। ভারত-চীন সীমান্তকে স্ট্র্যাটেজিক লোকেশন হিসেবে বায়ুসেনা ব্যবহার করতে চায় বলে জানা গিয়েছে। খুব কাছেই সিকিম এবং অরুণাচল প্রদেশের সীমান্তগুলি রয়েছে। যা সহজেই নজরদারি করতে পারবে এগুলি। পরবর্তীতে যদি কোনও কারণে চীনের সঙ্গে বিবাদ বাধে, তাহলে দ্রুত এগুলি পজিশন নিতে পারবে।

ফ্রান্স থেকে উড়ান নেওয়া এই রাফালগুলি আকাশপথেই জ্বালানি ভরেছে। এবার রাফাল বাহিনীকে মাঝ আকাশে জ্বালানি সরবরাহ করেছে UAE-র বায়ুসেনা। ভারতীয় এয়ার ফোর্সের তরফে এ কারণে UAE-কে ধন্যবাদও জানানো হয়েছে।

২০১৬ সালে ৫৯ হাজার কোটি টাকায় ফ্রান্সের সঙ্গে ৩৬টি রাফালে কেনার চুক্তি সেরেছিল ভারত। ৩০টি ফাইটার জেট ও ছটি ট্রেনিং এয়ারক্রাফট। নাম কে ওয়াস্তে ট্রেনিং এয়ারক্রাফট। সেই ছটি বিমানেও জেটস টু সিটার থাকবে। অর্থাত্, ওই ছটি বিমানও যুদ্ধে সমান পারদর্শী। গত বছর জুলাই মাসে প্রথম দফায় পাঁচটি রাফালে ভারতে এসেছিল। ২০২২ সালের এপ্রিলের মধ্যে ৩৬টি রাফালে ভারতে এসে পৌঁছবে। সেই ইঙ্গিত প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং আগেই দিয়েছিলেন।

তবে এই চুক্তি নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। সম্প্রতি রাফাল চুক্তি নিয়ে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে ফরাসি সরকার। রাফাল চুক্তির তদন্তের জন্য একজন বিচারক নিয়োগ করেছে ফ্রান্স। ফ্রান্সের পাবলিক প্রসিকিউশন সার্ভিসেসের ফিনান্সিয়াল ক্রাইমস ব্রাঞ্চ জানিয়েছে, রাফাল চুক্তি নিয়ে ওঠা দুর্নীতি ও পক্ষপাতিত্বের অভিযোগের তদন্ত করা হবে।